অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ছেলে ও বউয়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার মনোমালিন্য হয়েছে তার। এজন্য তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে তারা। সোমবার (২ মার্চ) বিকাল ৩টায় ঝগড়া লাগলে ছেলে, ছেলের বউ ও তার বোন তাকে গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে ছেলের বউ তাকে মারতে শুরু করে। বাঁশের লাঠি দিয়ে তার ঘাড়, পিঠ, পা-সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারা হয়। এসময় চিৎকার শুনে নাতি এগিয়ে এলে তাকেও মারে। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। তখন ছেলে বলে, ‘এবারের মতো বেঁচে গেলি। সুযোগ পেলে হাত-পা ভেঙে লাশ বানিয়ে রাখবো।’ পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বলে, ‘এই বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে পরিণতি ভালো হবে না। জীবনের স্বাদ চিরতরে মিটায়ে দেবো।’
এ ব্যাপারে জবেদা বেওয়া বলেন, ‘ছেলে আমাকে বলে আমি তোকে চিনি না। আমার ঘরে ছিটকিনি লাগিয়ে আমাকে বাইরে রাখছে। এখন আমার টয়লেটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে রাখছে। আমি এসবের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার বলেন, এরকম একটি অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দিয়ে আপাতত ওই মাকে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী বুধবার মা, ছেলে, ছেলের স্ত্রী ও তার শ্যালিকাকে থানায় ডাকা হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরেও সুরাহা না হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।