সূত্র জানায়, জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা গ্রামের বাসিন্দা ওই কিশোর। সে ঢাকার গাজিপুরে একটি বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতো। গত ৬ এপ্রিল গাজিপুর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পর সে অসুস্থ হয়। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ গত ৯ এপ্রিল ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তার মধ্যে ওই কিশোরের নমুনাও ছিল।
বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানানোর পর কিশোরকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় ওই গ্রামের ১৪টি বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৭ এপ্রিল জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঢাকা থেকে আসা একজন চিকিৎসকের করোনা শনাক্ত হলে হাসপাতালটি অবরুদ্ধ করা হয়। এরপর সেখানে অবস্থানরত ১৫০ জনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। অপরদিকে, গত ৯ এপ্রিল নারায়াণগঞ্জ ফেরত একজনের করোনা শনাক্ত হয়ে, তাকেও আসোলেশনে রাখা হয়েছে।