বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. আমিন আহাম্মেদ জানান, রংপুর মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর মেশিনে ১৮৮টির বেশি নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব না। দুই শিফটে কাজ করলেও এর বেশি নমুনা পরীক্ষা করা যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে ৪০০ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে সেটি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) অনুমোদিত। যেহেতু আইইডিসিআর অনুমোদিত সেহেতু নিশ্চয় সেটি মান সম্পন্ন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা ১১ দিন পর্যন্ত রাখা যায়। তবে আমরা পাঁচ দিনের বেশি রাখি না।’
এ ব্যাপারে রংপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাক্ষ অধ্যাপক ডা. নুরন্নবী লাইজু জানান, এই পর্যন্ত চার হাজার ৯০৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পরীক্ষার মধ্যে ২৬৭টি নমুনায় করোনা পজিটিভ এসেছে। এছাড়া ৪০০ নমুনা আইইডিসিআর থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা হয়েছে।
এদিকে প্রশিক্ষিত টেকনোলজিস্ট সংকট থাকায় ইপিআই এর যারা টিকা দেয় এবং এনজিওর বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক কাজ করে তাদের দ্বারা নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের দুই থেকে তিন দিনের প্রশিক্ষণ দিয়েই কাজ করানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার জানান, রংপুর জেলায় নমুনা সংগ্রহ করতে টেকনোলজিস্টের সংকট নেই। কোনও সমস্যা হচ্ছে না।
অন্যদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আমিন আহাম্মেদ জানান, রংপুর বিভাগে ৬৪টি টেকনোলজিস্ট পদ শুন্য রয়েছে। এখন যাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে তারা কি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কাজ যেহেতু ঠিকঠাক করছে তাহলে তারা অবশ্যই দক্ষ হবে এটাই তো বাস্তবতা।