বক্তারা বলেন, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে দেশে নারী নির্যাতনের বিচারের হার মাত্র ৩ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায় নারী নির্যাতনের বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা কতখানি! এসব ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তারা যেন আন্তরিক হয়, সেই চেষ্টাও করতে হবে। নারী নির্যাতনসহ সকল নির্যাতনের ঘটনার সুরাহা করতে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক হতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নারীর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের সমীকরণ বদলাতে হবে, যারা দায়িত্বে আছেন তাদেরকে বিচারহীনতার সঙ্গে আপোষকামীতা বন্ধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট ঢাকা থেকে বাসে করে দিনাজপুরের দশমাইলে আসে কিশোরী ইয়াসমিন। সেখানে তাকে জোর করে নিজেদের ভ্যানে তুলে নেয় কতিপয় পুলিশ সদস্য। পরে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে রাস্তায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আন্দোলনে নামলে জনতার ওপর গুলি চালায় পুলিশ। যাতে নিহত হয় ৫ জন। সেই থেকেই দিনটি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।