জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধার ওই মেয়েকে একই এলাকার জগদিস রায়সহ কয়েকজন বের করে নিয়ে যায় এবং মারপিট করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে তার ভাই এবং সদর থানা পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার করে তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শুক্রবার রাতে নির্যাতনের শিকার ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযোগ করেন, ‘পূর্ব শক্রুতার জের ধরে জগদিস, বিবেক কান্ত, নরেন, গিরেন, সুবাস, অশোকসহ প্রায় ২০ জন মিলে আমাকে ধর্ষণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে। টেনে-হিঁচড়ে বাড়ি থেকে বেড় করে নিয়ে যায় এবং মারপিট করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দুর্বৃত্তরা আগেও আমাকে নির্যাতন করেছে। তাদের নামে মামলাও করা হয়েছিল। এখন আমি তাদের কঠোর শাস্তি ও বিচারের দাবি জানায়।’
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নির্যাতনের শিকার ওই নারী মানব কল্যাণ পরিষদের ‘নারী পুরুষের সমতা, অধিকার নিশ্চিতকরণ’ প্রকল্পে চাকরি করেন। কিন্তু, তিনিই এখন নির্যাতনের শিকার।