‘বাংলাবান্ধা’ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার নির্দেশ রেলমন্ত্রীর

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে মত বিনিময় সভায় রেলমন্ত্রীরেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা করা প্রয়োজন। কারণ এই স্থলবন্দরটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্য স্থলবন্দরের চেয়ে বাংলাবান্ধার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এই বন্দরের সঙ্গে প্রতিবেশী বেশ কয়েকটি দেশের যোগাযোগ হচ্ছে। বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। তিন দিকে সীমান্ত থাকায় বন্দরের জায়গা কম। তাই অবকাঠামোসহ অন্য ব্যাপারে টেকসই চিন্তা করতে হবে। এ ব্যাপারে একটি সুনির্দিষ্ট মহাপরিকল্পনা করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী মহলসহ জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, সকল উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সরকার এখন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় কাজ করছে। সরকার দেশের এবং মানুষের অগ্রগতিকে ধরে রাখতে চায়। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণের প্রত্রিয়া চলমান। এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের শিলিগুড়ি দিয়ে অন্য দেশে রেল যোগাযোগ স্থাপনের চিন্তাভাবনা চলছে। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের প্রকল্প অচিরেই চুড়ান্ত হবে। আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারন হলে এই স্থলবন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। তাই আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই স্থলবন্দর দিয়ে অন্য দেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপন করতে চাই। 

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান ডাবলু, বাংলাবান্ধা ল্যান্ডর্পোটের জেনারেল ম্যানেজার হাবিবুর রহমান, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানী রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা, সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।