হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোজাম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ১৪ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের আগের এলসিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত রফতানিকারকদের কাছ থেকে এলসির কপি গ্রহণ করে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শুক্রবার ভারতের দিল্লিতে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে বসার কথা ছিল। এ বৈঠকে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের ভোক্তা অধিকার খাদ্য ও বন্টন বিষয়ক মন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার তিনি মৃত্যুবরণ করায় বৈঠকটি বাতিল করা হয়। ভারতের রফতানিকারকরা শুক্রবার রাতে আমাদের এসব তথ্য জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে সিদ্ধান নিতে পরবর্তী বৈঠক কবে অনুষ্ঠিত হবে সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। এদিকে স্থলপথে পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না হলেও সমুদ্র বন্দর দিয়ে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে; যা দেশটির চেন্নাই সমুদ্র বন্দর দিয়ে থাইল্যান্ড, নেপালসহ অন্যান্য দেশে রফতানি করা হবে।’
প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারত সরকার কোনও কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে করে দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তের ওপারে ২৫০টি পেঁয়াজবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। একইসঙ্গে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের যে এলসি দেওয়া হয়েছিল তার কার্যক্রমও বন্ধ করে দেয় ভারত। পাঁচ দিন বন্ধের পর ১৩ সেপ্টেম্বর টেন্ডার হওয়া ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ গত ১৯ সেপ্টেম্বর রফতানি করে ভারত। রফতানিকৃত পেঁয়াজের বেশিরভাগই পচে নষ্ট হওয়ায় অনেক পেঁয়াজ ফেলে দিতে হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বাংলাদেশি আমদানিকারকরা।