সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নজরুল ইসলাম মাস্টার, সাদেকুল ইসলাম মাস্টার, দোলোয়ার হোসেন মাস্টার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন, শিক্ষার্থী বিউটি আক্তার, সেলিনা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শামীম গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকালে রুহিয়া চাপাতি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ১২ বছরের ওই ছাত্রীকে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে তুলে এলাকার জহিরুল ইসলামের নির্জন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যায়। তারপর ছাত্রীর ওড়না দিয়ে হাত, পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় চিৎকার করলে শামীম বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে মেয়েটির মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেয়েটির চিৎকারে তার মা ও প্রতিবেশীরা ছুটে গেলে শামীম পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১৩ সেপ্টেম্বর রুহিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, এর আগে শামীমের বিরুদ্ধে একজনকে খুনের অভিযোগে মামলা হয়। মামলাটি ঠাকুরগাঁও জজকোর্টে চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।