পাঞ্জাব বলেন, ‘ওসি আমার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেছেন। টাকা দিলে আমার বিরুদ্ধে যে মাদক মামলা করা হয়েছে সেখান থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, আর টাকা না দিলে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ওসি।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী গ্রাম বানিয়াবস্তি মাদক চোরাচালান ও কেনাবেচার অন্যতম স্পট হিসেবে পরিচিত। এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করার জন্য ফল ব্যবসায়ী অসীম হায়াত পাঞ্জাব প্রায়ই প্রতিবাদ করে আসছিলেন। ইতোমধ্যে অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন পাঞ্জাবসহ এলাকাবাসী। এতে করে ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের মতবিরোধ সৃষ্টি হয় ও পাঞ্জাবকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয় তারা। গত ২৬ আগস্ট পুলিশ ৩ হাজার ৬শ’ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। পরে মাদক ব্যবসায়ীদের যোগসাজশে ওই মামলায় পাঞ্জাবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
পাঞ্জাব অভিযোগ করেন, ‘বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের ছত্রছায়ায় বানিয়াবস্তিসহ উপজেলায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ কিছু লোক। পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এতে আমি বাধা দিই। এলাকায় মাদক ব্যবসা যেন তারা চালিয়ে যেতে পারে, সেজন্য একাধিকবার আমাকে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে আমার নামে মাদক মামলা দেওয়া হয়েছে।’
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন জানান, অসীম হায়াত পাঞ্জাব আগে কী করতো জানি না। তবে এখন তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন।
তবে ওসি হাবিবুল হক প্রধান জানান, পাঞ্জাব একজন লিস্টেট মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে ৪-৫টা মামলা রয়েছে। তার কাছে কেউ টাকা চায়নি। বাঁচার জন্য এসব বলে বেড়াচ্ছে সে।