গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোনেশন ইউনিটে দায়িত্বরত অফিসার ডা. সুজন বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ফ্লু-কর্নারে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা করোনা উপসর্গের রোগীদের রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করেন। অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরুর পরে স্বল্প সময়ের মধ্যে ১০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অ্যান্টিজেন টেস্টের প্রথম দিন শনিবার ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ফলাফলে একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। রবিবার ২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৫ জন শনাক্ত হন। সোমবার ২৪ জনের পরীক্ষায় ২ জন শনাক্ত হন। মঙ্গলবার নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২০ জনের। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হন দুই জন। বুধবার ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জন শনাক্ত হন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৫ জনের। পরীক্ষার ফলাফলে ৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।’
এ বিষয়ে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান জানান, অ্যান্টিজেন টেস্ট নমুনা পরীক্ষার জন্য প্রতিদিন ফ্লু-কর্নারে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা করোনা উপসর্গের রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। গত ছয় দিনে জেলার মোট ১০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। নেগেটিভ ৮৯ জনের নমুনা পুনরায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। পিসিআর পরীক্ষার ফলাফলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি আছে কি না।