সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের প্রধান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবু তোয়বুর রহমান, আব্বাস আলী, সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা আখতার হীরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সারোয়ার বকুল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির উজ্জল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান আকতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে জাকিয়া খাতুন তার ইশতেহার ঘোষণা করেন। পঞ্চগড় শহরকে আধুনিক ও পরিকল্পিত তিলোত্তমা নগরী গড়ে তোলা, শহরকে গ্রিন, ক্লিন, ডিজিটাল ও আধুনিক সৌন্দর্যমন্ডিত, পরিবেশবান্ধব এবং কামারহাটির আধুনিকিকরণসহ ২০টি পয়েন্ট উল্লেখ করেন তিনি।
জাকিয়া খাতুন বলেন, বর্তমান মেয়র আধুনিক পৌরসভা গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু কোনও কাজ করেননি। দুর্নীতি আর লুটপাট করেছেন। মানুষ এবার পরিবর্তন চায়।
তার সংবাদ সম্মেলনে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রনিক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইউনুস শেখ, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকসহ পৌর, উপজেলা ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তৌহিদুল ইসলাম ২২ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।
তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমি পাঁচবার নির্বাচিত মেয়র। পৌর এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক। আমি সবসময় মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াই। ভোটারদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, এখনও আছি। আমার ভোটাররা ভোট দিতে পারলে ছক্কা হাঁকাবো ইনশাআল্লাহ।