তিন দিন আটকে থাকার পর অনুমোদন জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীরা দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। বুধবার (১৯ মে) বিকাল ৪টা পর্যন্ত হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে নারী-পুরুষ শিশুসহ ৩৭ জন দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে অসুস্থ হওয়ায় চার জন করে মোট আট জনকে রংপুর ও দিনাজপুরে পাঠানো হয়েছে।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের এনওসি এবং করোনার নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেড়টার দিকে তারা দেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন। এসময় সীমান্তের শূন্যরেখায় পুলিশ, বিজিবিসহ স্থানীয় প্রশাসন তাদের রিসিভ করে নির্ধারিত তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাদের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে স্বাস্থ্য চেকআপ ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রমের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশীদ হারুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ আলম, পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ওসি সেকেন্দার আলী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, করোনার কারণে গতবছরের মার্চ থেকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দু'দেশের মাঝে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ভারতে আটকেপড়া যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে গত ১৬ মে থেকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম চালু হয়। তবে ভারতের হিলি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন না পাওয়ায় গত তিন দিন ধরে চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী আগমন-বহির্গমন শুরু হয়নি। তবে বুধবার দুপুর থেকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আগমন-বহির্গমন শুরু হয়েছে, সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদেরকে রিসিভ করা হয়। পর্যায়ক্রমে ভারত অভ্যন্তরে যত বাংলাদেশি আটকা আছে অনুমোদন স্বাপেক্ষে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।