কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌর এলাকার মছলিয়া ছড়া এলাকা থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় বাচ্চু নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।
নাগেশ্বরী থানার পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) তামবিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত বাচ্চু উপজেলার ব্যাপারীহাট বদিজমাপুর এলাকার মৃত কয়ছার আলীর ছেলে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার নিজের চাষ করা ক্ষেতের পাট কাটতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন বাচ্চু। এরপর থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পাটের জমির মালিকানা কার তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের ছেলে লিয়াকত জানান, সোমবার সকালে তারা বাবা, ছেলে মিলে জমিতে পাট কাটতে যান। তখন আবু মুসা নামে এক ব্যক্তি এসে পাট কাটতে নিষেধ করেন। এরপরও পাট কেটে দুপুরে খাবার খেতে বাড়িতে আসেন তারা। দুপুরের পর বাচ্চু একাই পাট কাটতে যান। এরপর আর ফিরে আসেননি।
নিহতের স্ত্রী লিলির দাবি, মুসা নামের ওই ব্যক্তি তার স্বামীকে হত্যা করে থাকতে পারেন। তিনি স্বামীর হত্যাকারীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ পরিদর্শক তামবিরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বলেন, আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। সব প্রক্রিয়া শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুমন রেজা বলেন, ‘নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজের পরদিন একটি জিডি করা হয়েছিল। তবে তখন তারা কাউকে সন্দেহের বিষয়টি উল্লেখ করেনি। ঠিক কে বা কারা, কেন ওই ব্যক্তিকে হত্যা করেছে, সেটি তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। আমরা সার্বিক বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করছি।’