কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া গুলি ও গ্রেনেডের আঘাতে হাফিজুর রহমান (৪২) নামে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। বুধবার (৩১ মে) ভোরে উপজেলার কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের সীমান্তবর্তী নকরজান এলাকার আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৪০ এর সাব পিলার ৬ এস-এর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির অধীন কাশিপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আশরাফ আলী সীমান্তের বাসিন্দাদের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে গুলিতে নাকি গ্রেনেড বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন তা নিশ্চিত করতে পারেননি। আহত হাফিজুর রহমান উপজেলার চন্দ্রখানা নকরজার এলাকার মনসুর আলীর ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে উপজেলার নকরজান সীমান্ত পথে হাফিজুর একই এলাকার আমজাদ হোসেন (৪১), সাহেব আলী (৩০) ও শফিকুল ইসলাম (৩০) ভারত থেকে গরুর মাংস আনতে যান। কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার সেউটি-২ বালাতারী গ্রামের আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পাচারকারী কাঁটাতারের ওপর দিয়ে পোটলা করে গরুর মাংস পাচার করে দেওয়ার সময় বিএসএফের ছাবরি ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও গুলি চালায়। এ সময় তিনি গুরুতর আহত হন। সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে ও পরে রংপুরে নেন। অজ্ঞাত স্থানে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, তার মাথার ডান দিকে কানের ওপরে গুরুতর আঘাত রয়েছে। মুখ থেঁতলে গেছে। দুই চোখ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আশরাফ আলী বলেন, খবর পেয়ে নকরজান এলাকায় গিয়েছি। কিন্তু আহত ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। শুনেছি, তাকে রংপুরে নেওয়া হয়েছে। তার ভাই ও ছেলেকে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রীকে পাওয়া গেলেও তিনি মুখ খুলছেন না। কেউ কোনও কথা বলতে চাইছে না।