২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং রেল স্টেশনে হামলা ও আগুন দেয় জামায়াত শিবির ক্যাডাররা। সে সময় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় চার পুলিশ কনস্টেবলকে। তারা হলেন, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার খামার ধনারুহা গ্রামের নাজিম উদ্দিন, রংপুরের পীরগাছা উপজেলার রহমতচর গ্রামের তোজাম্মেল হক, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার কিশামত গোবধা গ্রামের হযরত আলী এবং বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ঠাকুরপাড়ার বাবলু মিয়া।
এ ঘটনায় মামলা হলেও প্রধান আসামি জামায়াত নেতা ঘোড়ামারা আজিজকে আজও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি ইসরাইল হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিসহ সব আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কতজন গ্রেফতার হয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি।
গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান শফি জানান, দেড় বছর তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ২৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলাটি এখন বিচারিক আদালতে বদলির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, রবিবার নিহত পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প অর্পণ,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী একেএম মাহবুবুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি ইসরাইল হোসেন, বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ওয়াহেদ আলী প্রমুখ।
/বিটি/এএইচ/