পরিবারের কাছ থেকে প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে এ যুগের লাইলী-মজনু (প্রেমিক-প্রেমিকা) একই রশিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের জানপাড়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ রবিবার দুপুরে প্রেমিক রোস্তম আলী খন্দকার (১৭) ও প্রেমিকা সুলতানা আকতার মুক্তির (১৫) লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়েছে।
রোস্তম আলী রসুলপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে ও সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং সুলতানা আকতার মুক্তি প্রতিবেশী মোতাহার হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় মহিষবান্দি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
সাদুল্লাপুর থানার ওসি ফরহাদ ইমরুল কায়েস এলাকাবাসী ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, সারাজীবন একই সঙ্গে কাটানোর স্বপ্ন নিয়ে প্রায় তিন বছর আগে রোস্তম আলী খন্দকারের সঙ্গে প্রতিবেশী সুলতানা আকতার মুক্তির প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এ সম্পর্কের খবর প্রকাশ পেলে এলাকায় তাদেরকে এ যুগের লাইলী মজনু হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু দুই পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তাই ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে ৩/৪ দিন আগে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। রবিবার সকালে স্থানীয় লোকজন জানপাড়ার ছড়ার বাতা এলাকায় একটি গাছে একই রশিতে দু’জনের লাশ ঝুলতে দেখেন।
পরিবারের কাছ থেকে প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, চাঞ্চল্যকর প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঝুলন্ত লাশ দেখতে শতশত উৎসুক জনতা এলাকায় ভিড় করেন।
/বিটি/টিএন/