জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘একটি দলের নেতা ১৭ বছর পর দেশে এসে নির্বাচনি সভায় বলে বেড়াচ্ছেন আমরা পালাই না। বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে এখন মিথ্যা কথা বলছেন। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে এবার জনগণ জেগে উঠেছে, তারা জামায়াতকেই সমর্থন দেবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সবার আগে দুর্নীতি বন্ধ করবে। এর ফলে দেশের অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে। গত ৫৪ বছরে নৌকা-ধানের শীষ আর লাঙল সবাইকে দেখেছেন, এবার দাঁড়িপাল্লাকে দেখেন।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নীলফামারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে নীলফামারী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আল ফারুক আব্দুল লতিফের (দাঁড়িপাল্লা) সমর্থনে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম জনসভায় বলেন, ‘যুবকরা এখন ইনসাফের পক্ষে। ১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দাঁড়িপাল্লাকে নির্বাচিত করবেন তারা।’
সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘একটি দলের গেল দেড় বছরের আমলনামায় দেখা গেছে তারা নিজেদের অর্ন্তকোলহে ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। ২০০ মানুষকে হত্যা হয়েছে। তারা তাদের মধ্যেই নিরাপদ নয়, তাহলে তাদের হাতে দেশ কীভাবে নিরাপদ থাকবে।’
পৌর জামায়াতের আমির আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জেলা জামায়াতের পলিটিক্যাল সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আন্তাজুল ইসলাম ও জেলার আমির অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।