আরও পড়তে পারেন:
৭০ বছর পর মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত পাঠালো ভারত
বর্ষবরণে জেলা প্রশাসন হাতে নিয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন, গ্রামীণ মেলা, শিশু আনন্দ মেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ খেলাধূলা।
এছাড়াও কর্মসূচিতে রয়েছে কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে বাঙালি খাবার পরিবেশন। সবার একটাই লক্ষ্য প্রাণের বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখ উদযাপন।
বুধবার সকালে নীলফামারী কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চারুকলা বিভাগে এমনই চিত্র দেখা যায়। এই স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী পায়েল রায় বলেন, এই কলেজের ক্যাম্পাস থেকে প্রতি বছর বড় মঙ্গল শোভা যাত্রা বের করা হয়। এবারও তার ব্যাতিক্রম হবে না।
আরও পড়তে পারেন:
তবুও দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ভুভুজেলা!
নীলফামারী জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন জানান, বর্ষবরণের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। শেষ মুহূর্তে রংয়ের আঁচড় দিতে এখন ব্যস্ত তারা। এ বছর শোভাযাত্রায় থাকবে লোকজ সঙ্গীতের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ঢোল, তবলা, একতারা, ডুগডুগি ও কৃষকের চাষের উপকরণ লাঙল-জোঁয়াল ও গাড়ীয়াল ভাই। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকজ ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে তাদের এ প্রয়াস।
নীলফামারী সদর থানার ওসি শাহজাহান পাশা জানান, বর্ষবরণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিছিদ্র নিরাপত্তাবলয়।
/জেবি/