ঢাকায় হত্যা করে নীলফামারীতে নিয়ে পুতে রাখা হয় যুবকের মরদেহ

ঢাকায় রাকিব ইসলাম (১৯) নামের এক যুবককে হত্যার পর মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় এনে নিজ বসতভিটায় পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মামুন ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসুনিয়াপাড়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।

নিহত রাকিব টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকার কাফরুল থানাধীন শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনের সঙ্গে পরিচিত হন  তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রাম থেকে বসতভিটে খনন করে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মামুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রায় একমাস আগে ঢাকায় রাকিবের সঙ্গে পরিচয় হয় মামুনের। সেখানে নারী-সংশ্লিষ্ট ঘটনার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে পুলিশকে জানায় সে। হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশে নিজ বাড়িতে এনে পুঁতে রেখে মামুন আবার ঢাকায় চলে যান।

এরপর এআই দিয়ে মামুনকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও বানিয়ে ৪ লাখ টাকা নিহতের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়ার পরেও রাকিবকে পরিবারের কাছে ফেরত না দেওয়ায় স্বজনেরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশের অভিযানে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর রাকিবের মরদেহ একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে ডিমলায় এনে পচা মাছ বলে নিজ বসতভিটায় লাশ পুঁতে রাখা হয়।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, নারী-সংশ্লিষ্ট ঘটনার জেরে মামুন রাকিবকে হত্যা করে। মরদেহটি কার্টুনে মুড়িয়ে গুম করার জন্য গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে এসে মাটিতে পুঁতে রাখেন। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে তার গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।