মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আদিতমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইয়াছিন আলী, সহকারী শিক্ষা অফিসার নাছির আলী, প্রতিপক্ষ দেলোয়ার হোসেন বসুনিয়া ও কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাসরীন সুলতানা।
আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহুরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে থানায় জিডি ও মামলার বিষয়টি শুনেছি। যেহেতু আদালতে মামলা হয়েছে সেহেতু এ প্রসঙ্গে এখনই কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।
জানা গেছে, কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি করা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল ইসলামসহ ৬ জনকে আসামি করে বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের পক্ষে আব্দুর রহিম খোকন মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেলোয়ার হোসেনকে পুনরায় কমিটিতে অন্তর্ভূক্তির চেষ্টা করলে বাদী কমিটি গঠনের কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি লিগ্যাল এইড পরিচালনা করবে।
এছাড়া এ নিয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরীন সুলতানা আদিতমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন। তিনি বলেন, আদিতমারী রিসোর্স সেন্টারে প্রশিক্ষণ চলাকালীন গত ২৯ মার্চ আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাছির আলী স্কুল কমিটির তালিকা পরিবর্তন করে জোরপূর্বক আমার স্বাক্ষর নেন।
আরও পড়তে পারেন: ঢাবিতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করায় কর্মচারীর কারাদণ্ড
/এমও/