নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর তিন জনই জামানত রক্ষা করতে পারেননি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৫ প্রার্থীর মধ্যে তিন জনই জামানত হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জামানত হারানো তিন জন হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩০টি ভোট পড়েছে। নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীকে প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ পেতে হয়। সে হিসাবে জামানত রক্ষায় প্রত্যেক প্রার্থীকে কমপক্ষে ৪১ হাজার ৬৬৬ ভোট পেতে হতো।

কিন্তু জামানত হারানো তিন প্রার্থীর কেউই ওই সংখ্যক ভোট পাননি। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুল আলীম নিজামী পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ২৮৯ ভোট। আর বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক পেয়েছেন মাত্র ৪৫০ ভোট।

অন্যদিকে, নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট। ২ প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩১ হাজার ৪০৪।

বৃহস্পতিবার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫১ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩০ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ২৯ হাজার ৫টি। ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৮১ শতাংশ।