ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় দুই জেএমবি সদস্যের বিচার শুরু

দিনাজপুরদিনাজপুরের কাহারোলে ইসকন মন্দিরে হামলায় জড়িত অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২ জেএমবি সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের ২ মাস পর মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ২৩ মে এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। দিনাজপুর আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আবু সাঈদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুরে জেলা ও দায়রা জজ হোসেন শহীদ আহমেদের আদালতে জেএমবির শীর্ষ ২ সদস্য শরিফুল ইসলাম (২৮) ও মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে (২৫)  অস্ত্র মামলায় হাজির করা হয়।
জেএমবি’র সদস্য শরিফুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের  ও মোসাব্বিরুল আলম লালমনিরহাট সদর উপজেলার বানভাসা গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে ২ শীর্ষ জঙ্গি সদস্যের পক্ষে কোনও আইনজীবী না থাকায় তাদের পক্ষে আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমানকে সরকারি খরচে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হয়।

বিচারক আগামী ৩০ মে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য করে ওই ২ শীর্ষ জেএমবি সদস্যকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের জয়নন্দবাজারের পার্শ্ববর্তী ডহচি জগন্নাথ মন্দির ও ইসকন মন্দিরে ধর্মসভা চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে  দুজন আহত হয়। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে শরিফুলকে আটক করে। এ ঘটনায় পরের দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গ্রামে ওই হামলার সঙ্গে জড়িত মোসাব্বিরুলকে গ্রামবাসী আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় কাহারোল ও বীরগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। অস্ত্র আইনের মামলায় গত ২১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য দিনাজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো  হয়।

আরও পড়ুন:

বৃষ্টির জন্য ‘এস্তেস্কার’ নামাজের আয়োজন

/এআর/এএইচ/