বুধবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী সালাউদ্দিন ভুট্টোর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর বিচারক বলেন, মামলায় সাক্ষীরা না আসায় ধীরগতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এভাবে চললে আগামী দুই বছরেও মামলার বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।
সরকার পক্ষকে পরবর্তী তারিখে সাক্ষীদের উপস্থিত করানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ ও ১২ মে তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।
সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অতিরিক্ত পিপি আব্দুস সাত্তার বলেন, এনিয়ে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হলো। এ মামলায় ৬০ জন সাক্ষী রয়েছেন। এখনও নিহতদের পরিবার ও অগ্নিদগ্ধদের কেউ সাক্ষ্য দেননি। দ্রুতই সকল সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।
আরও পড়ুন:
কারাগারে আটক মামলার আসামি ৫৪ জন জামায়াত শিবির নেতাকর্মীর মধ্যে ৪৫ জন আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক তা না-মঞ্জুর করেন।
২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের উলিপুর থেকে ঢাকাগামী খলিল পরিবহন নামে নাইট কোচ রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাতাসন গ্রামে পৌঁছুলে দুর্বৃত্তরা ওই বাসে পরপর কয়েকটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে।
এতে ঘটনাস্থলে এক শিশুসহ ছয় যাত্রী নিহত হন। অগ্নিদগ্ধ হন অন্তত ২৫ বাসযাত্রী। এ ঘটনায় ১শ’ ৩২ জামায়াত শিবির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এ ঘটনায় ৫৪ জন আসামি গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন। অবশিষ্ট ৭৮ জন আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারের কাজ চলছে।
/এইচকে/