মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ব্যতিক্রমধর্মী এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন শাবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচির আহ্বায়ক ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাগরিকা চৌধুরী, সাস্ট ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম নোমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মুশতাক আহমদ, শাহরিয়ার সোহান, খইরুম কামেশ্বর, স্বপন আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সাগরিকা চৌধুরী বলেন, এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে তরান্বিত করে। আমরা মানবিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে শ্যামল কান্তি ভক্ত স্যারের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট সবারর শুভ বুদ্ধির উদয় হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ এনে শুক্রবার দুপুরে তাকে লাঞ্ছিত, মারধর ও কান ধরে উঠবস করানো হয়। ঘটনার সময় সেখানে এমপি সেলিম ওসমান উপস্থিত ছিলেন।
তবে পুরো বিষয়টি ‘পরিকল্পিত’ ছিল বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক। তার দাবি, ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। এর আগেও কয়েকবার চেষ্টা করে তাকে পদচ্যুত করতে ব্যর্থ হয়েই এবার ধর্মের মতো স্পর্শকাতর বিষয়টিকে সামনে আনা হয়েছে। গত ৮ মে, ক্লাশে পড়ানোর সময় এক ছাত্রকে প্রহারের ঘটনার পরেই মূলত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার ওই পরিকল্পা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ঘটনার শিকার ওই প্রধান শিক্ষক।
এদিকে, ঘটনা তদন্তে রবিবার বন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকম নুরুল আমিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ক্ষেপিয়ে তোলা হয় গ্রামবাসীকে
/বিটি/