এ ব্যাপারে হকার বারিক আহমদ বলেন, আমরা গরিব। মার্কেটে দোকান ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করার সাধ্য আমাদের নেই। তাই সামান্য পুঁজি নিয়ে রাস্তায় বসেছি। এভাবে অভিযান চালিয়ে আমাদের মালামাল নিয়ে গেলে আমাদের আর কিছুই থাকবে না। পরিবার নিয়ে ভিক্ষা করে খেতে হবে।
জানা গেছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ‘বিশেষ অভিযানে’ নিয়োজিত ছিল সিটি কর্পোরেশনের একটি বুলডোজার, ৯টি ট্রাক, একটি ট্রাক্টর। সংশ্লিষ্ট শাখা প্রধান ছাড়াও কনজারভেন্সি শাখার ৫০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী অভিযানে অংশ নেয়।
অভিযানকালে রাস্তার ওপরে গড়ে তোলা অবৈধ স্ট্যান্ড, হকার ও দোকানিদের গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা ও ফেস্টুন-ব্যানার অপসারণ করে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে উল্লেখ করে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব জানান, ‘সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে সিলেট মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টাকে কেন্দ্র করে ধাপে ধাপে ‘বিশেষ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। এই পরিকল্পনার আওতায় পূর্ব জিন্দাবাজার থেকে মির্জা জাঙ্গাল এবং চৌহাট্টা পয়েন্ট থেকে মধুবন পয়েন্ট সড়ক পর্যন্ত ভাসমান ব্যবসা বন্ধ করা হবে। রাস্তায় পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে নিয়মিতভাবে কাজ করবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ টিম।
সবাই আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করলেন সিলেটকে পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব উল্লেখ করে এনামুল হাবীব বলেন, আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে মহানগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টা এলাকার চেহারা অনেকটাই বদলে যাবে।
সিটি করপোরেশনের চিফ কনজারভেন্সি অফিসার মো. হানিফুর রহমান জানান, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কনজারভেন্সি বিভাগের বিশেষ টিম কাজ করবে। সিটি কর্পোরেশনের গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে এরইমধ্যে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। অচিরেই সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিশেষ ধরনের অর্ধশতাধিক ‘বিন’ (ঝুড়ি) স্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন: শিক্ষক দক্ষ না হলে শিক্ষার মান বাড়বে না: শিক্ষামন্ত্রী
/জেবি/টিএন/আপ-এনএস/