মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, মো. ইব্রাহিম আবু খলিল আল হাফিজ (৫৫) বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিয়ে করায় মোচ্ছাম্মত ফাতিহা মাশরুরার সঙ্গে তার ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। এমনকি বাসার কাজের মেয়েদের প্রতিও ইব্রাহিম খলিলের লোভ ছিল বলে উল্লেখ রয়েছে। এসবের জের ধরে সংসারে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল।
এর জের ধরে ২০১৫ সালের ১৭ মে দিবাগত রাতে সিলেট নগরীর চারাদিঘীর পাড় এলাকার তাবলীগ জামায়াত কর্মী ইব্রাহিম আবু খলিলকে (৫৫) কুপিয়ে খুন করা হয়। নিহত ইব্রাহিম ওই এলাকার ১নং বাসার সাদ উদ্দিন আল হাবীবের ছেলে। ঐদিন রাতে খাওয়া-ধাওয়া সেরে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন ইব্রাহিম।
সকালে তার ঘরের দরজা খোলা পাওয়া যায়। এ সময় ঘরের খাটের নীচে হাত বাঁধা ও গলা কাটা অবস্থায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মুখের উপর একটি বালিশ চাপা দেয়াও ছিল। বিষয়টি পুলিশকে জানালে ১৮ মে সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার কাজ শুরু করে পুলিশ। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন তার স্ত্রী ফাতেহা মাশরুরা।
১৯ মে বিকেলে সিলেট মহানগর প্রথম আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম মো. সাহেদুল করিমের কাছে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ফাতিহা। সোমবার মামলার সকল কার্যক্রম শেষে আদালত আসামি ফাতিহা মাশকুরাকে উল্লেখিত দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট মফুর আলী। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী ও কবির আহমদ এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী মামলাটি পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন: নিখোঁজের ৯ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
/এইচকে/আপ-এআর/