সিটি করপোরেশনের একটি প্রকল্পের আওতায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এই কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশন নামক প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের আওতায় আটটি পিডিজেড এবং ১৪টি ভেরি ফোকাল বুলেট ক্যামেরা লাগাবে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি তার টানানো, ক্যাসিং এবং ১০টি ক্যামেরা বসানোসহ আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করেছে। অবশিষ্ট ক্যামেরা বসানো আগামী শনিবারের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে- জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এই সিসি ক্যামেরার মনিটর থাকবে কোতোয়ালী মডেল থানায়।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, যেসব সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে সেই সব ক্যামেরা উন্নত প্রযুক্তিসমৃদ্ধ। তারপরও এইসব সিসি ক্যামেরা বসানোর পর ক্যামেরাগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। এনামুল হাবীব জানান, পরবর্তীতে আবারও টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে পুরো মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গা সিসি ক্যামেরায় আওতায় নিয়ে আসা হবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি সোহেল আহমদ এই কাজ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসায় সিলেট সিটি করপোরেশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এই সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শুধু অপরাধী শনাক্ত করাই নয়, এই সিসি ক্যামেরা নগরীর যানজট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতেও সহায়তা করবে।
বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই নগরীর জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত ১২টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরিফুল হক চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এর এক সপ্তাহ পর আরিফুল হক চৌধুরীকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর থেকে ওই ক্যামেরাগুলো অনেকটা অকেজো হয়ে পড়ে। এর প্রায় দু’বছর পর নগরীতে আবারও সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো।
আরও পড়ুন:
/বিটি/টিএন/