দুপুরে শুনানি শেষে বিচারক প্রধান আসামি আব্দুল আলীসহ পাঁচজনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান দেন এবং মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আগামী ২৮ জুন। জামিন নামঞ্জুরকৃত আসামিরা হলেন পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া,শাহেদ মিয়া।
হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম মোল্লা জানান, আসামি রুবেল ও জুয়েল মিয়ার বয়স নির্ধারণের জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সিভিল সার্জন দুই আসামির বয়স নির্ধারণর করে রিপোর্ট পেশ করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাত ভাই আব্দুল আজিজ-এর ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদির-এর ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০)। খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজের ৫দিন পর ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পাশ্ববর্তী স্থানে চার শিশুর মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় দেশে বিদেশে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল আলীসহ ৭ জনকে আটক করে। ঘটনার অন্যতম আসামি বাচ্চু মিয়া র্যাবের সঙ্গে ক্রস ফায়ারে নিহত হন। এরইমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আব্দুল আলীর দুই ছেলেসহ চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
/জেবি/টিএন/
আরও পড়ুন:
অভিজিৎ হত্যায় সন্দেহভাজন শরীফ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
অভিজিৎসহ সাত জনকে হত্যার নেপথ্যে ছিল ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত শরীফ