ঈদকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্টের নামে যানবাহন দাঁড় করিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু কিন্তু বাস্তবে পুলিশ কতটুকু জনগণের বন্ধু হতে পেরেছে তা এখন অনেকের প্রশ্ন। কয়েকজন অসাধু পুলিশ সদস্যদের জন্য গোটা পুলিশবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
আর চাঁদা দিতে না পারলে যে কোনও মিথ্যে কারণ দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে মামলা।মৌলভীবাজার শহর ও শহরতলীর কয়েকটি স্থান বেজবাড়ী মোড়, প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ, জুগিডহর, শমশেরনগর রোড, ইসলামপুরসহ কয়েকটি স্থানে দিনে ও রাতে চেক পোস্টে যানবাহনের কাগজ পত্র দেখার নামে হয়রানি ও ব্যাপক চাঁদাজির অভিযোগ রয়েছে।
মৌলভীবাজার টাফিক ইন্সেপেক্টর (টিআই) মাহফুজ ও মডেল থানার (এসআই) সুকমল ভট্টার্চায্য ও কনস্টেবল মোমেনের বিরুদ্ধে ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজি, টমটম ও মটর সাইকেল দাঁড় করিয়ে চাঁদা আদায়ের বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান শহরের বেজবাড়ী চেক পোস্ট বসিয়ে মোটরসাইকেল আটক করে প্রথমে মোটরসাইকেলের কাগজ পত্র দেখার কথা বলে সাইকেল থেকে চাবি নিয়ে যায় পুলিশ। পরে কাগজপত্র সঠিক দেখে হেলমেট না থাকার কারণে এক হাজার টাকা দাবি করেন এসআই সুকমল ভট্টাচার্য্য ও কনস্টেবল মোমেন।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, কতিপয় অসাধু পুলিশ সদস্যের জন্য পুরো বাহিনী এখন ভুগছে ইমেজ ও আস্থার সংকটে। অথচ অপরাধ দমনে অনেক সৎ নিষ্ঠাবান পুলিশ সদস্যদের সাহসী কর্মকাণ্ড ঢাকা পড়ছে কয়েকজনের দুর্নীতিতে।
এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ্ জালাল জানান, মোটরসাইকেল ও গাড়ির কাগজপত্র দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া আছে। তবে সাইকেলে বা গাড়ির চাবি নেওয়ার জন্য কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। কোনও পুলিশ সদস্য এ রকম অপরাধ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এসএনএইচ/টিএন/
আরও পড়ুন: গুলশান হামলায় আরেক সন্দেহভাজন তাহমিদ শিল্পপতি শাহরিয়ার খানের ছেলে