হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম জানান, ইতোমধ্যে পলাতক তিন আসামির মালামাল ক্রোক করার নির্দেশ রয়েছে।পুলিশ তাদের মালামাল ক্রোক করেছে। পলাতকদের বিষয়ে পত্রিকায়ও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় রবিবার নির্ধারিত তারিখে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের কথা ছিল। উক্ত আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীন ছুটিতে থাকায় অভিযোগ গঠনের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ আগস্ট।
উল্লেখ্য, জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) গত ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এতে অভিযুক্ত করা হয়- পঞ্চায়েত সর্দার আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগি হাবিবুর রহমান আরজু, উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়াকে। তাদের মাঝে এখনও পলাতক রয়েছে উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া।
ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আব্দুল আলীর দুই ছিলে রুবেল জুয়েলসহ আদালতে ৪জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া ঘটনার অন্যতম আসামি বাচ্চু র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়।
আরও পড়ুন: সাভারে ভুয়া ডাক্তারের চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ
/এআর/