হবিগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: ‘পাওনা টাকা না দেওয়ায় হত্যা করি’

তাহের-উদ্দিনজমানো টাকা আত্মসাৎ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভাবি-ভাতিজিকে হত্যা করে বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ঘাতক তাহের উদ্দিন। এসময় প্রতিবেশী শিমুল মিয়া বাধা দিতে আসলে তাকেও হত্যা করা হয়। বুধবার (২৪ আগস্ট) বিকালে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামসাদ বেগমের আদালতে নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় তিনি এ জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে তাহেরকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
স্বীকারোক্তি শেষে উপস্থিত মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মোকতাদির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আদালতে ঘাতক তাহের নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানায়, সে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকা অবস্থায় বিপুল পরিমাণ টাকা তার ভাবির কাছে পাটাতো। দেশে ফিরে আসার পর সেই টাকার হিসাব চাইলে তার ভাবি বিভিন্ন ধরনের টালবাহানা শুরু করে। টাকা না দেওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাবি ও ভাতিজিকে হত্যা করে। এসময় এক প্রতিবেশী এগিয়ে আসলে তাকেও হত্যা করে তাহের।
এর আগে দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় মধ্য দিয়ে পুলিশ তাহের উদ্দিনকে আদালতে আনা হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) রাতে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের বীর সিংহ পাড়া গ্রামের তাহের উদ্দিন তার বড় ভাই গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী জাহানারা বেগম, ভাতিজি শারমিন আক্তার ও প্রতিবেশী শিমুল মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ ঘটনার পর ওইদিন রাত্রে তাহের উদ্দিনকে আটক করে।

আরও পড়ুন: ‘বর্তমান সরকারের আমলে কোথাও অচলাবস্থা সৃষ্টির সুযোগ নেই’
/এআর/