এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগারে থাকা পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
অভিযোগ গঠনকৃত আসামিরা হলো বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রটিকি গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী, তার তিন ছেলে রুবেল মিয়া, বেলাল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া এবং একই গ্রামের আব্দুল বারিকের ছেলে উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও শাহেদ মিয়া। তাদের মধ্যে বেলাল, উস্তার ও বাবুল মিয়া পলাতক।
গত ৫ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির তৎকালীন (ওসি) মোকতাদির আলম তদন্ত করে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামে এক আসামি র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়।
হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম জানান, আদালত আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। সেই সঙ্গে আসামি আরজুর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাত ভাই আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০) খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী স্থানে চার শিশুর মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশে বিদেশে ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল আলীসহ সাতজনকে আটক করে এবং ঘটনার অন্যতম আসামি বাচ্চু মিয়া র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আব্দুল আলীর দুই ছেলেসহ চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
শরীয়তপুরের লিংকন হত্যার দায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড
/বিটি/