দুদক সিলেট কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ বিবরণীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীনের কাছে চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে বিগত ২০১৪-১৫ এবং ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সিলেট জেলা প্রশাসকের আওতাধীন ইজারাকৃত জলমহাল, পাথরকোয়ারি, বালুমহাল এবং হাটবাজার, এল.আর. ফান্ডের আয় ব্যয়ের বিবরণী, সার্কিট হাউজের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং পরিবহন পুলে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ও ব্যয়ের বিবরণী দাখিলের কথা বলা হয়েছিল। পদস্থ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাদের কাছে দুদক এসব তথ্য চেয়েছে। তাদের সরবরাহকৃত এসব তথ্য যাচাইবাছাই করে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে ১৫ ডিসেম্বর বিকালে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও এনডিসি তথ্য জমা দেওয়ার জন্য এক মাসের সময় চেয়ে একটি আবেদন করেছেন। এনডিসি দেশের বাইরে থাকায় তথ্য প্রদানে বিলম্ব হবে বলে আবেদনে সময় বাড়ানোর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশদাতা দুদক সিলেটের সহকারী পরিচালক দেবব্রত মণ্ডল রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শুনেছি উনারা তথ্য দেওয়ার জন্য এক মাসের সময় চেয়ে আমাদের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে একটি আবেদন রেখে গেছেন। তবে এটি এখনও আমার হাতে পৌঁছায়নি। আবেদনটি পাওয়ার পর এটির যৌক্তিকতা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে নগরের উপশহর এলাকার এক ব্যক্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং সহকারী কমিশনার (নেজারত, এনডিসি) তানভীর আল নাসীফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নামে দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ ডিসেম্বর দুদক তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয়।
আরও পড়ুন:
সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক
/বিটি/