বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে বেলা ১১টার দিকে সুরঞ্জিতের মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হয়। পরে শহীদ মিনারের স্থাপিত অস্থায়ী মঞ্চে রাখা হয় তার কফিন। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এদিকে, সকাল থেকে প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার এলাকায় ভিড় করেন দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দাদা’র (সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত) কোনও তুলনা ছিল না। রাজনীতির অনেক কিছুই দাদার কাছ থেকে শিখেছি।’
দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছাব উদ্দিন সর্দার জানান, ‘দিরাইয়ের নিজ বাসভবনের এক কোণে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে শেষকৃত্যে অংশ নিতে লোকজন আসতে শুরু করেছেন। ’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজ-উদ-দৌলা তালুকদার জানান, ‘শেষকৃত্য শুরু হবে বিকেলে। শেষকৃত্যের আগে দিরাই বিএডিসি মাঠে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য আওয়ামী লীগের এ বর্ষিয়ান নেতার মরদেহ রাখা হবে।’
জানা গেছে, সিলেটে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ নেওয়া হবে সুরঞ্জিতের নিজ জেলা সুনামগঞ্জে। দুপুর ১টার দিকে তার নির্বাচনী এলাকা শাল্লা এবং বিকাল ৩টায় দিরাই উপজেলায় সাধারণ মানুষ তাদের নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর দিরাইয়ে হবে তার শেষকৃত্য। শেষকৃত্যের আগে মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জিতকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে।
উল্লেখ্য, রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর চারটার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার মরদেহ হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়।
/এমডিপি/