আদালতের সহকারী পিপি মাহফজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউন’কে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আলোচিত এ মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন বিচারক। যুক্তিতর্ক চলাকালে রাগীব আলীর পক্ষে কোনও আইনজীবী অংশ না নিলেও বাগানের সেবায়েত ও ওই মামলার আসামি পঙ্কজ কুমার গুপ্তের আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯০ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতি করে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া সেবায়েত সাজিয়ে তারাপুর চা বাগানের ৪২২ দশমিক ৯৬ একর দেবোত্তর সম্পত্তি দখল করেন রাগীব আলী। ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করেন সিলেটের কোতোয়ালি থানায়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘদিন মামলা দুটির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। গত বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ একটি বেঞ্চ রায়ে মামলা দুটো পুনরুজ্জীবিত করার নির্দেশ দিলে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
সিলেটের মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে গত ২ ফেব্রুয়ারি তারাপুর চা-বাগান বন্দোবস্ত নিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির মামলায় ছেলেসহ রাগীব আলীকে ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই আদালতে রাগীব আলী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলায় পলাতক অবস্থায় সিলেটের স্থানীয় দৈনিক সিলেটের ডাক সম্পাদনা ও প্রকাশনা করে প্রতারণার অভিযোগে আরেকটি মামলার অভিযোগ গঠন করে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ডা. কাদেরের বাড়ি থেকে উদ্ধার