রাগীব আলীর ছেলের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

রাগিব আলী

রাগীব আলীর ছেলে আবদুল হাইয়ের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫মার্চ) মামলার ধার্য তারিখে সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ আদেশ দেন। আদালতের  সরকারি কৌসুলি মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তারা সিলেটে দেবোত্তর সম্পত্তি তারাপুর চা বাগান দখল করে সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি।  

মাহফুজুর রহমান আরও জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। ২৩ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে রায় ঘোষণা স্থগিত রেখে রাগীব আলীর ছেলের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশনা দেওয়ায় রায় ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছিল। এ কারণে একজন নিওরোসার্জনকে দিয়ে  রাগীব আলীর ছেলের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। ৩০ মার্চ এ সংক্রান্ত প্রতিবদেন আদালতে দাখিল করা হলে মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় রাগীব আলী, ছেলে আবদুল হাই, মেয়ে রোজিনা কাদির ও তার স্বামী আবদুল কাদির, তারাপুর চা-বাগানের ভুয়া সেবায়েত সাজা রাগীব আলীর আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদ, সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্ত আসামি। এরমধ্যে মেয়ে ও তার স্বামী পলাতক, মোস্তাক ও পংকজ জামিনে রয়েছেন। ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতি ও সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় দুটো মামলা করেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এ দুটো মামলায় নতুন করে তদন্ত শেষে সিলেটের মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে বিচার শুরু হয়। এরমধ্যে গত ২ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতির মামলায় রাগীব আলী ও ছেলে আবদুল হাইয়ের ১৪ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালত। একই আদালতে রাগীব আলীর মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা প্রকাশনায় প্রতারণার অভিযোগে আরেক মামলার রায়ে দু’জনের এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

/জেবি/

আরও পড়তে পারেন: দিনাজপুরে পীর হত্যাকাণ্ড: যেসব বিষয়ে কাজ করছে পুলিশ