এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিসিক মেয়র আরিফকে দ্বিতীয় দফা সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করেন। প্রায় দীর্ঘ ২৭ মাস পর আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সিলেট সিটি করপোরেশনে মেয়রের চেয়ারে ফেরেন আরিফ।
৫ বছরের জনপ্রতিনিধি হয়েও অর্ধেক সময়ই নগরবাসীদের সেবা করতে পারিনি জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সিলেটবাসী উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করার জন্য আমাকে বার বার হেনেস্তা করা হচ্ছে। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়াতেই আমার জীবনে কালো অধ্যায় নেমে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর আমাকে দুটি স্পর্শকাতর মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। কেড়ে নেওয়া হয়েছে নগরবাসীর সেবা করার ২৭টি মাস। গণরায় যারা মানতে পারেনি তারাই নগর ভবনে ছোবল মারছে বারবার।’
জানা যায়, রবিবার (২ এপ্রিল) সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর আরিফুলের রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৩ এপ্রিল) সরকারের বরখাস্তাদেশ স্থগিত করেন বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আর বুধবার (৫ এপ্রিল) আরিফুল হক চৌধুরীর বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করার জন্য আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ। প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার মামলার চার্জশিটে নাম থাকায় আরিফুলকে আবারও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দীর্ঘ ২৭ মাস পর রবিবার সিসিকের মেয়রের চেয়ারে ফেরেন তিনি। আর সেদিনই দায়িত্ব নেওয়ার ৩ ঘন্টার মধ্যে আরিফুল ফের বরখাস্তের চিঠি পান।
/এআর/