পৌরসভার বিভিন্ন ফাইল স্বাক্ষর করে তিনি কর্মদিবস শুরু করেন। এর আগে সেখানে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।
এ সময় গউছ সাংবাদিকদের বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ও কিছু আমলার সহযোগিতায় আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে । বরখাস্তের পর উচ্চ আদালতের রায়ে আমি ফের হবিগঞ্জ পৌরসভার দায়িত্ব নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তা জানেন না।’ তিনি সরকার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
জিকে গউছ বলেন, ‘পৌরসভার সর্বস্তরের লোজনের ভালোবাসায় আমি আবারও ফিরে এসেছি। ইনশাল্লাহ জনগণের সেবায় আবারও নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।’
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এমপি আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।২০১৪ সালে মামলার সম্পূরক চার্জশিটে জি কে গউছকে আসামি করা হয়। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে কারাগারে থেকে পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর প্যারোলে মুক্ত হয়ে শপথ গ্রহণ করেন। ফৌজদারী মামলায় কারাগারে আটক থাকায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।
এ ছাড়াও ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের একটি সমাবেশে বোমা হামলার মামলায়ও তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।এ বছরের ৪ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন হবিগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র দিলীপ দাশ। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার ১০ দিনের মাথায় গত রবিবার (২ এপ্রিল) আবারও তাকে বরখাস্ত করা হয়।
/এআর/