সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ছগির মিয়া বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জঙ্গি রিপনের প্রাণ ভিক্ষা খারিজের চিঠি আমরা পেয়েছি। পরে রিপনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘ফাঁসি কার্যকরে আমরা প্রস্তুত আছি। উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ও সব প্রক্রিয়া শেষ হলেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে। রিপনের আচরণ স্বাভাবিক রয়েছে। নিয়মিত খাবার খাচ্ছে ও নামাজ পড়ছে।’
কারা সূত্রে জানা গেছে, রিপনকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। ফাঁসির আদেশ পাওয়ার পরপরই যাতে তা কার্যকর করা যায়, সেজন্য ফাঁসির মঞ্চ ও কারাগারের ৮-১০ জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর আগে গত ৯ এপ্রিল রবিবার সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে জঙ্গি রিপনের সঙ্গে দেখা করেন তার পরিবারের ১২ সদস্য। এ সময় তারা রিপনের সঙ্গে প্রায় ২৫ মিনিট কথা বলেন।
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজার প্রাঙ্গণে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন পুলিশের এএসআই কামাল উদ্দিন। এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান পুলিশ কনস্টেবল রুবেল আহমেদ ও হাবিল মিয়া নামের আরেক ব্যক্তি। এ ঘটনায় আহত হন আনোয়ার চৌধুরী ও সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অন্তত ৪০ জন।
/বিএল/