বাদীর আইনজীবী জানান, মামলা দু’টিতে ব্যাংক এশিয়ার সিলেট উপশহর শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের সাবেক-বর্তমান ১০ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে ৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা আত্মসাতের মামলায় অভিযুক্তরা হচ্ছেন, ব্যাংক এশিয়ার উপশহর শাখার সাবেক ম্যানেজার মুনির হোসেন চৌধুরী, ঘটনার সময় কর্মরত প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হেড অব রিকোভারি নাছিরুল হুসেইন, নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ একরামুল ইসলাম, সিলেট শাখার কর্মকর্তা আবুল হাসনাত, দেওয়ান আদনান ও এটিএম আনোয়ার শিকদার।
জাল দলিলের মামলার অভিযুক্তরা হচ্ছেন ব্যাংক এশিয়ার উপশহর শাখার সাবেক ম্যানেজার মুনির হোসেন চৌধুরী, সাবেক এসও ক্রেডিট সোহেল রানা, সাবেক সাব ম্যানেজার হুসবান আহমদ চৌধুরী, ব্যাংকের কর্মকর্তা আবুল হাসনাত, এটিএম আনোয়ার শিকদার ও ওই শাখার কর্মরত বর্তমান ম্যানেজার।
অ্যাডভোকেট রফিক আহমদ জানান, ‘প্রায় ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ ছাড়াও জালিয়াতির মাধ্যমে বাদীর বাড়ি আত্মসাতের অপচেষ্টা চালিয়েছেন অভিযুক্তরা। বাড়ির সম্পদমূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। আদালত দু’টি মামলার অভিযোগ আমলে নিয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, ‘ব্যাংক এশিয়া কর্তৃপক্ষকে ঋণ পরিশোধের জন্য ২০১৩ সালের ৫ জুন ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে বাদী ৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা চেকের মাধ্যমে দেন। কিন্তু আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে তা আত্মসাৎ করেন। এছাড়া বাদীর টিলাগড়স্থ ১২ তলা টাওয়ারে ও দর্জিবন্দের ৫ তলা আবাসিক ভবনের জমি আত্মসাতের জন্য সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে আসামিরা জালিয়াতির মাধ্যমে ১২১৪৬/১০ইং ও ১২১৪৭/১০ ইং নং দলিল তৈরি করেছেন। বাদীর ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মওদুদ আহমদ কামালীকে ঋণের ভুয়া জিম্মাদার সাজিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।’
/এমএনএইচ/