আদালতের নির্দেশে মামলা, গ্রেফতারের পর আ.লীগ নেতার জামিন

সিলেটসিলেটের দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেতা আবদুল বাছিত বাবুলের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৪ জুলাই) সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক হরিদাস কুমার তার জামিন মঞ্জুর করেন।
দাউদপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইনাত আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুর রহমান ওরফে লুকুস মিয়াকে মারধর ও কান টেনে ধরার ঘটনায় বাবুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
বাবুলের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালেতের বেঞ্চ সহকারী সুবাজিন সিনহা।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ বাবুলকে রবিবার রাতে গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক হরিদাস কুমারের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় বাবুলের আইনজীবী জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।’
আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) এ ঘটনা ঘটলেও সিলেট মহানগর পুলিশের মোগলাবাজার থানা রহস্যজনক কারণে নিশ্চুপ ছিল। পরবর্তীতে কান টেনে ধরার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এ ঘটনাটি সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরোর নজরে আসলে তার নির্দেশে রবিবার (২৩ জুলাই) রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা লুৎফুর রহমান লুকুস। তবে মামলাটি রহস্যজনক কারণে জামিনযোগ্য ধারায় নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ত্রাণ পেয়েও একটি বেসরকারি টিভিকে ত্রাণ না পাওয়ার কথা জানান লুকুস। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) ইউনিয়নে সুধি সমাবেশে লুকুস হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল বাছিত বাবুল তার কান টেনে ধরেন।
/এআর/