নির্মাণ ব্যয় ১৮ থেকে ১১৩ কোটি টাকায় পৌঁছালেও ছাতকের সুরমা নদীর ওপর দীর্ঘ একযুগেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণ কাজ। কবে কাজ শেষ হবে এ ব্যাপারেও স্পষ্টভাবে কেউ কিছু বলতে পারছেন না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় সেতুর দু’পাশে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।
এরপর ২০১০ সালে সেতুটির অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য ৫১ কোটি টাকার একটি নতুন সংশোধিত প্রকল্প যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। এই আবেদনের পর নতুন করে ১১২ কোটি ৯৯ লাখ ৪৯ টাকার প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়। গত বছরের অক্টোবর মাসে পরিকল্পিত এপ্রোচ ও নেভিগেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সেতু নির্মাণে ১১৩ কোটি টাকার প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, সেতু নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে প্রায় দু’মাস পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি আবেদন পাঠানো হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হলেই এপ্রোচ সড়কের কাজ শুরু হবে। এরইমধ্যে প্রায় সেতুর প্রায় ৩০ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করে তারা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সজিব আহমদ জানান, মূল সেতুর দরপত্র মুল্যায়ন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পূর্বের ৪টি পিলারের সঙ্গে নতুন ৩টি পিলার সংযোজন করেই সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে।
/এমও/