স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ নভেম্বর বিকালে উপজেলার মিরপুরে একটি সভায় এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলা করে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রহমান শাহেদ এর নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। এ ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ এলাকাবাসী হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান ধর্মঘটসহ আন্দোলন করে আসছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পর স্থানীয় ইউপি সদস্য পারভীন আক্তার বাদী হয়ে তারা মিয়া শাহেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপরও কোনও আসামিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এরই জের ধরে রবিবার দুপুর ১২টার দিকে বাহুবল উপজেলা সন্ত্রাস দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ডাকে মহাসড়ক অবরোধ করে কয়েক হাজার লোক। অবরোধের সময় সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ও বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলীর ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামালাকরীদের এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে বেলা ১টার দিকে অবরোধ স্থগিত করে নেওয়া হয়।
এ সময় বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে। প্রতিদিনই আসামিদের গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।’
বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, ‘এমপি কেয়া চৌধুরীর হামলার ঘটনায় জড়িতদের এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে।’
বাহুবল উপজেলা সন্ত্রাস দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হোসেন বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসের কারণে আমরা অবরোধ স্থগিত করেছি। যদি দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা না হয় তাহলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন- হবিগঞ্জে এমপি কেয়া চৌধুরীর অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতাকর্মীদের হামলা