ওজনে কম দেওয়ায় বিভিন্ন দোকানির দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে





ওজনে কম দেওয়ায় অভিযোগে ফেনীর বিভিন্ন দোকানিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত ফেনী শহরের তাকিয়া রোডের পাইকারি আড়তগুলোতে অভিযান চালিয়ে এ অর্থদণ্ড দেয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানার নেতৃত্বে এ অভিযানে ভোক্তাধিকার অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সোহেল চাকমা ও ব্যাটলিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অভিযানে জনি রাইস এজেন্সি ৫০ কেজি হাই এগ্রো কোম্পানির চালের বস্তায় ৫০০ গ্রাম কম চাল কম পাওয়া যায়। এছাড়া আটা, ময়দা ও চিনির ৫০ কেজি বস্তায় গড়ে ২০০-৩০০ গ্রাম কম পাওয়া যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানের মালিক নরেশ চন্দ্র দাসকে ৫০ হাজার টাকা ও মেসার্স চৌধুরী ট্রেডার্সের ফ্রেশ চিনির ৫০ গ্রাম বস্তায় ৪৫০ গ্রাম, সৌদিয়া ময়দার ৫০ কেজির বস্তায় ৩৫০ গ্রামসহ প্রায় সব আইটেমেই ১০০ গ্রাম থেকে ৩৫০ গ্রাম কম করে অভিযানে বেরিয়ে আসায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হারাধন সাহাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
এছাড়া ফুটপাথ দখল ও ফ্রিজে কাঁচা ও সিদ্ধ খাবার রাখায় ট্রাংক রোডের রসমেলার শাহাদাত হোসেনকে ৩০,০০০ টাকা, ফুটপাথ দখল করে রাখার জন্য ট্রাংক রোডের ফল বিক্রেতা একরাম ও মাইনুদ্দিনকে ২০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা, আরকে ট্রেডার্সের রিজভীকে ৫০০০ টাকা, সেরাজ স্টোরের আলাউদ্দিনকে ৫০০০ টাকা ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে ফেনীর ভেতরের বাজারের সবজি বিক্রেতা শেখ আহম্মেদ, আব্দুল হাই ও নুরন্নবীকে ২০০০ টাকা করে মোট ৬০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমার কাছে অভিযোগ আসে যে শহরের তাকিয়া রোডের আড়তগুলোতে বিক্রি করা চাল, চিনি, আটা ও ময়দার ৫০ কেজির বস্তাগুলোতে গড়ে ৩০০-৫০০ গ্রাম কম থাকে। এই অভিযানের ফলে এই অভিযোগের সত্যতা বেরিয়ে এসেছে।’

 আরও পড়ুন: ‘বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে ৭১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার’