সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোনও প্রকার কোয়ারি ঘোষণা ছাড়াই গত এক সপ্তাহ ধরে খাঁসি নদীর উৎসমুখে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করছে ওই চক্রটি। নদীর প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে প্রায় ৩৫টি বোমা মেশিন বসিয়ে পাথর উত্তোলনের কাজ চলছে।
সারি নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল হাই আল হাদি বলেন, ‘জাফলংয়ের মতো আর কোনও স্থান যেন পাথর খেকোদের হাতে ধ্বংস না হয়, সেজন্য শুরুতেই প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ নিতে হবে। নইলে নদী তার বৈচিত্র্য হারাবে, ফসলি জমি ও পরিবেশ ধ্বংস হবে।’
পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আখতার জানান, যেহেতু এটি কোনও কোয়ারি নয় এবং সরকার কাউকে ইজারাও দেয়নি তাই এখানে পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি। বোমা মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে পাথর আহরণ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বিষয়টি পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হবে।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খাঁসি নদী থেকে পাথর উত্তোলনের বিষয়টি কেউ আমাকে বলেনি। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।’