সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর এপ্রিল-মে ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সিসিকের পক্ষ থেকে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এজন্য দরকার মোট তিন হাজার লিটার ওষুধ। কিন্তু এ বছর সিসিকের কাছে মজুদ ছিল মাত্র ৪০ লিটার ওষুধ!
এ তথ্য স্বীকার করেছেন সিসিকের পরিচ্ছন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হানিফুর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, কয়েকদিন আগে ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার লিটার ওষুধ কেনা হয়েছে। ফলে মজুদ থাকা ওষুধের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪০ লিটারে। তবুও ঘাটতি রয়েছে ১ হাজার ৯৬০ লিটার ওষুধের।
শিগগিরই মশক নিধন কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব। তার ভাষ্য, ‘মশার ওষুধ কেনার জন্য ৩৫ লাখ টাকার আরেকটি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের শেষের দিকে আমরা এ ওষুধ পেয়ে যাবো। এরপর ২৭টি ওয়ার্ডে একসঙ্গে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সিলেটে বাড়ছে মশার উপদ্রব। এ কারণে নগরবাসীকে ঝুঁকতে হচ্ছে কয়েল ও স্প্রের দিকে। নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা সোহেল আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মশার উপদ্রব এখন এতই বেড়েছে যে দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়।’
ব্যবসায়ী মান্না আহমদের ভাষ্য, ‘রেস্তোরাঁয় মশার কারণে স্প্রে দিতে হয়। কিন্তু এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব মশা নিধন কার্যক্রম শুরু করা হোক।’