এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান বলেন, ‘ঘটনার পাঁচ দিনের মধ্যে ঘাতক ইয়াহিয়াকে গ্রেফতার করা হলো। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ইয়াহিয়া প্রথমে ময়মনসিংহ, পরে ঢাকা ও সিলেটে বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছে। এছাড়া সে সিলেটের মাজার এলাকায় কিছু সময় অবস্থান করে। তবে প্রযুক্তির মাধ্যমে তার গতিবিধির ওপর পুলিশ সবসময় নজরদারি করে।’
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভার মাদানী মহল্লা এলাকায় ইয়াহিয়ার ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী মুন্নী মারা যায়। ঘাতক ইয়াহিয়া মুন্নীকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। এনিয়ে এলাকায় সামাজিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পরও থেমে থাকেনি ইয়াহিয়ার অত্যাচার।
১৭ ডিসেম্বর মুন্নী নিহত হওয়ার ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তিনি ইয়াহিয়া ও তানভীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও তিন জনের বিরুদ্ধে এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্যতম আসামি তানভীরকে ওইদিন দিরাই থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।