গুরুতর আহত মনোয়ারকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আরপিজিসিএলের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আবু জাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরপিজিসিএল প্লান্টের পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা বাছিত আহমদ প্লান্টের নিরাপত্তারক্ষীদের বরাত দিয়ে জানান, বিকালের দিকে ভেতরের পেট্রোল সাপ্লাই লাইনের একটি পাইপ লিকেজ হয়ে তরল পদার্থ বের হতে দেখে নিরাপত্তারক্ষীরা ফিল্ড ম্যানেজারকে খবর দেন। ফিল্ড ম্যানেজার মনোয়ার লিকেজ দিয়ে বের হওয়া তরল পদার্থ পানি বলে শনাক্ত করেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে দেয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এ সময় মনোয়ার আহমদ দগ্ধ হন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
গোলাপগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর রুহিন আহমদ খান জানান, ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে বেঁচে গেছেন পৌরবাসী। সেখানে পেট্রোলের রিজার্ভ ট্যাংক ছিল। ভাগ্যক্রমে সেটি বিস্ফোরণ হয়নি। না হলে পুরো ওয়ার্ডে আগুন ছড়িয়ে পড়তো।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল হক শিবলী জানান, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।