জানা যায়, গত বছরের (২৯ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মাহমুদুল আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে পরিচালক স্থানীয় সরকার সিলেটকে আহ্বায়ক, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীকে সদস্য এবং সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন প্রতিনিধিকে সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন করার নির্দেশও দেওয়া হয়। উক্ত কমিটি গত রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) সিলেট সিটি করপোরেশনে গিয়ে কমিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, গাড়ি গায়েবের পর সাধারণ ডায়েরি দায়েরকারী সিটি করপোরেশনের উপ সহকারী প্রকৌশলী যান্ত্রিক (পরিবহন) জাবেরুল ইসলাম, করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান, যান্ত্রিক শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর বাংলা ট্রিবিউন-এ ‘সিসিকের ৩ গাড়ি গায়েবের তদন্তে নেমেছে সমবায় মন্ত্রণালয়’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা আদালতের নজরে আসলে আদালত রবিবার এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) নেহার রঞ্জন। তিনি জানান, আদালতে সিটি করপোরেশনের গাড়ি বিষয়টি বিচারাধীন। এমনকি আদালতের নির্দেশ সিসিকের তদন্ত কমিটিও প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আরেকটি তদন্ত কমিটি করায় আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
এর আগে, সোমবার (৩০ অক্টোবর) ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়ি গায়েব, থানায় জিডি’ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মহলের টনক নড়ে। পরে বুধবার (১ নভেম্বর) ‘সিসিকের গাড়ি গায়েব: জিডি করে ভুলে যান কর্মকর্তা’ এবং শুক্রবার (৩ নভেম্বর) ‘সিসিকের গাড়ি গায়েব: অবশেষে জিডির তদন্তে নামলো পুলিশ’ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে আরও দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে সাড়া পড়ে যায়।