পেীর এলাকার নোয়াহাটির ফেরিওয়ালা জীবন দেব বলেন,‘তীব্র শীতের কারণে দুই দিন ধরে কাজে বের হতে পারিনি।বিকালের দিকে বের হলেও তখন কাস্টমার পাওয়া যায়না।তীব্র শীতের কারণে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কোনও মানুষ বাসা বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না।এতে করে আমাদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠছে।’
শহরতলীর আনোয়ারপুর গ্রামের লুকুজ মিয়া জানান,প্রচণ্ড শীতের কারণে কোনও কাজ করতে পারছি না। অনেক কষ্টে জীবন যাপন করতে হচ্ছে। জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
বানিয়াচং উপজেলার নতুন পাতারিয়া গ্রামের কৃষক রহমত আলী জানান, প্রচণ্ড শীতের কারণে ভোরবেলা জমিতে কাজ করতে খুবই কষ্ট হয়।অনেক শ্রমিক শীতের কারণে কাজ করতে চাচ্ছেনা।অনেক কষ্ট করেও বোরো জমির শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ঠাণ্ডাজনিত রোগের কারণে শিশু-বৃদ্ধসহ ৬৫ জন রোগী হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা।
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে চিকিৎসা করাতে আসা সদর উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের আকবর আলী বলেন,প্রচণ্ড শীতের কারণে বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।তবে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে মেঝেতে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে ।
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা.রাজীব দাস জানান, ঠাণ্ডাজনিত কারণে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তবে সদর হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাদেরকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হবিগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা.সুচিন্ত চৌধুরী জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকদের শীতে আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কোনও ধরনের চিকিৎসার অবহেলা বা গাফিলতি যেন না হয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।